“বাগান বিলাস” কবি- প্রভাষক সাবরীন সুলতানা ————-++++++++++++———————— এক টুকরো ডাল কিংবা কলব, কেটে এনে মাটিতে যত্নহীন ভাবে পুতে দিলেই, সেই টুকরো ডাল অল্প দিনে, তার শাখা-প্রশাখা গজিয়ে, বাহারী সৌন্দর্যে হয়ে
বিদ্রোহী সুর তাছলিমা আক্তার মুক্তা বিদ্রোহী সুর হারিয়ে গেছে পাইনা খুঁজে আর , সোনার বাংলায় চলে এখন চুর ডাকাতের হুঙ্কার । নজরুলে মতো বিদ্রোহী কবি আর হবে দেশে , দু’চারদিনে
শুধু আপনাকে চাই তাছলিমা আক্তার মুক্তা আমি নীলপদ্ম চিনি না, বুঝি না আটপ্রহর। আমি শুধু আপনাকে চিনি, আপনাকে বুঝি। আপনি তো বলেছিলেন – নারকেল গাছের ফাঁকে অনেক চাঁদ দেখেছো আমি
শংকর দাস পবন ( বার্তা সম্পাদক) ঝালকাঠি বিদায় সৃষ্টি কণা দাস ( কবিতা) যে,দিন আমার দম ফুরাবে জগৎ হবে পর, বৃথা যাবে বন্ধু স্বজন পাকা দালান ঘর। অস্থির হবে বিদায়
হঠাৎ করে বৃষ্টি এলো তাছলিমা আক্তার মুক্তা কাঠফাটা রৌদ্দুর ছিলো মনটা ভীষণ খারাপ ছিলো হঠাৎ করে বৃষ্টি এলো ভারী মনটা হালকা হলো। বৃষ্টিতে বেশ জাদু ছিলো কাক ডাকা দুপুর ছিলো
কবিতা মনু মিয়া কবি তাছলিমা আক্তার মুক্তা আমাদের মনু মিয়া হিজড়া নাকি পুরুষ , বিয়ে কেন হয়না তার কি আছে তার দোষ ? মনু মিয়ার বয়স এখন সত্তর কিংবা আশি
শংকর দাস পবন( বার্তা সম্পাদক ) ঝালকাঠি কষ্ট – মু আল আমীন বাকলাই যদি পারিস কষ্টগুলো রোদের তাপে ঝলসে নিস যদি পারিস কষ্টগুলো জোছনা রাতে ডুবিয়ে দিস আঁধার যখন পর্দা
হায়রে বাংলাদেশ!!! ” তাছলিমা আক্তার মুক্তা আমি কিন্তু বিশাল নেতা হাতে ভীষণ বল , হাত’টা যদি চালাই একবার দেখবে ফলাফল । চান্দা চাইছি দিয়ে দিবে কিসের বাহানা , পকেটে যদি
আমরা শান্তি প্রিয়ো লোক তাছলিমা আক্তার মুক্তা কবি ও কথাশিল্পী । নয় বছর লাঙ্গল দিয়ে হালচাষ করে, আট বছর ধান লাগিয়ে এতো ধান হয়েছে সতেরো বছর লেগে গেছে সেই ধান
কবিতা আমি অগাধ সম্পদের মালিক হতে চাই কবি তাছলিমা আক্তার মুক্তা আমি প্রচন্ড রকমের লোভী তবে সেটা সম্পত্তির জন্য নয় সম্পদের। আমি অনেক কিছু পাবার আশা করি তবে সেটা অন্যকে