1. shahinsalman99@gmail.com : দৈনিক আজকের জনতার কথা : দৈনিক আজকের জনতার কথা
  2. info@www.dainikajkerjanatarkotha.online : দৈনিক আজকের জনতার কথা :
মঙ্গলবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০:১৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
অ্যাডভোকেট মো. বাবুল হাওলাদার বাপার কেন্দ্রীয় সদস্য নির্বাচিত ঝালকাঠিতে মহান বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে ৩ দিন ব্যাপী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও বিজয় মেলা সরাইল শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবসে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে স্মৃতিস্তম্ভে শ্রদ্ধাঞ্জলি বালিয়ারচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চলছে ভয়াবহ অনিয়ম—সময় পালন নেই, নেই প্রশাসনিক শৃঙ্খলা দায়িত্বের অবহেলায় এড়িয়ে চলছে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা আসমা আক্তার ময়মনসিংহে ৫২তম গ্রীষ্মকালীন ফুটবল (ছাত্র-ছাত্রী) ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত রাজশাহীতে আন্তর্জাতিক সমবায় বর্ষ ২০২৫ উদযাপন: মোহনপুরে আলোচনা সভা ও র‌্যালি অনুষ্ঠিত রাকসু নির্বাচনকে সুষ্ঠ করতে রাবির আইন-শৃঙ্খলা সভায় পুলিশ কমিশনার’র প্রত্যয় হাতেগড়া হাজারো সাংবাদিকের মাঝে বেঁচে আছেন আলতাফ হোসেন : মামুন-অর-রশিদ আমার হয়নি শোনা সাহিত্য আচার্য্য( স্বরচিত) ময়মনসিংহে বিশ্ব শিশু দিবস ও শিশু অধিকার সপ্তাহের সমাপনী অনুষ্ঠান

দারোরা গ্রামে পানি নিষ্কাশন বন্ধ সামান্য বৃষ্টিতেই ডুবে যায় হাজারো ঘরবাড়ি

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ৩৭ বার পড়া হয়েছে

দারোরা গ্রামে পানি নিষ্কাশন বন্ধ
সামান্য বৃষ্টিতেই ডুবে যায় হাজারো ঘরবাড়ি।

এ কে এম আজাদ
বিশেষ প্রতিনিধি

কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার গল্লাই ইউনিয়নের দারোরা গ্রামে পানি নিষ্কাশনের প্রধান পথটি ড্রেজারের মাটি ফেলে ভরাট করায় গ্রামজুড়ে স্থায়ী জলাবদ্ধতা তৈরি হয়েছে। সামান্য বৃষ্টি হলেই এক হাজারেরও বেশি পরিবারের ঘরবাড়ি ও রাস্তাঘাট পানিতে তলিয়ে যায়। এতে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হয়ে পড়েছে পুরো গ্রামের।

স্থানীয়দের অভিযোগ, জলাবদ্ধতার জন্য দায়ী এলাকার কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তি। তাদের মধ্যে রয়েছেন মৃত করম আলীর ছেলে সাবেক কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল কাদের, মৃত আব্দুল জলিলের ছেলে আব্দুল সালাম ও শহিদুল ইসলামের ছেলে কেফায়েত উল্লাহ। তারা ড্রেজারের মাটি ফেলে পানির স্বাভাবিক চলাচলের পথ বন্ধ করে দিয়েছেন।

স্থানীয় ভুক্তভোগী অনেকে অভিযোগ করেন এর মধ্যে নুর ইসলাম বলেন, গত তিন বছর ধরে আমরা চরম দুর্ভোগে আছি। একটুখানি বৃষ্টি হলেই ঘর থেকে বের হতে বাঁশের মাচা ব্যবহার করতে হয়। স্কুল-কলেজ ও হাট-বাজারে যেতে আমাদের অবর্ণনীয় কষ্ট হয়।

সিরাজুল ইসলাম (পিতা-আঃ রব) বলেন, বর্ষা এলে ঘরে হাঁটু পানি জমে। রান্না করা থেকে শুরু করে শিশুদের পড়াশোনা সবকিছুতেই ভোগান্তি পোহাতে হয়।

আঃ জলিল পিতা মৃত মোকসদ আলী জানান, তিন বছর ধরে পানিবন্দি হয়ে আছি। আসবাবপত্র নষ্ট হচ্ছে, জমির ফসল নষ্ট হচ্ছে, অথচ সমাধানের কোনো উদ্যোগ নেই।

লিটন মিয়া বলেন,আমাদের ছেলে-মেয়েরা প্রতিদিন পানি ডিঙিয়ে স্কুলে যায়। অনেক সময় যেতে পারে না। এভাবে পড়ালেখা বন্ধ হয়ে যাওয়ার উপক্রম।

ফজলুর রহমান (পিতা মৃত সেকান্দর আলী) বলেন, অসুস্থ রোগীকে হাসপাতালে নিতে চাইলে বিপাকে পড়তে হয়। পানি আর কাদার কারণে গ্রামের ভেতর থেকে বের হওয়াই মুশকিল।

আঃ মতিন (পিতা সেকান্দর আলী) জানান,শিক্ষার্থীরা প্রায়ই পানিতে ভিজে অসুস্থ হয়ে পড়ে। জলাবদ্ধতার কারণে মানসিক কষ্টে আছি সবাই।

নুরুল ইসলাম (পিতা মৃত দুলু মিয়া) বলেন,বারবার প্রশাসনের কাছে অভিযোগ দিয়েছি, কিন্তু সমাধান হয়নি। আমরা চাই দ্রুত পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা হোক।

মোছলেম বলেন,চাষাবাদ করা যাচ্ছে না। ফসল নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। একসময় উর্বর জমি এখন পানিতে তলিয়ে আছে।

গল্লাই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান দর্জি ফজলুল করিম বলেন,পানি চলাচলের প্রাকৃতিক পথ কেউ ভরাট করে থাকলে তা অবৈধ। বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে এবং দ্রুত সমাধানের চেষ্টা চলছে।

চান্দিনা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ আশরাফুল হক বলেন,আমরা দারোরা গ্রামের জলাবদ্ধতার বিষয়টি অবগত হয়েছি। দ্রুত তদন্ত করে পানি নিষ্কাশনের পথ পুনরুদ্ধারে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পরিবেশ বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, পানি নিষ্কাশনের পথ ভরাট করা হলে শুধু জলাবদ্ধতাই নয়, বরং দীর্ঘমেয়াদে পরিবেশের ওপরও মারাত্মক প্রভাব পড়বে। এতে মশাবাহিত রোগ, ডায়রিয়া ও ডেঙ্গুর ঝুঁকি বেড়ে যাবে।

গ্রামবাসী বলছেন, সরকারি উদ্যোগে পানি নিষ্কাশনের পথ দ্রুত খুলে দিলে আগামী বর্ষায় তারা আর পানিবন্দি হয়ে থাকতে হবে না।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট